শাস্তির মেয়াদ কমার পর বৃহস্পতিবার প্রথম সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হন সাকিব আল হাসান। বিকেলে বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে দলবদলে অংশ নেন তিনি। কলাবাগান ক্রীড়া চক্র ছেড়ে গাজী ট্যাংকে নাম লিখিয়েছেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার। দলবদলের পর সাংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলেন তিনি। সাকিব জানান, লাল-সবুজের জার্সি পরে খেলাই তার কাছে অন্য সবকিছু থেকে গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন : দলবদলের নিশ্চয়তার খবরটি কখন শুনতে পান?
সাকিব : আমি স্টেডিয়ামে অন্য কিছু কাজের জন্য গিয়েছিলাম। যখন ফিরছিলাম তখন সিইও আমাকে কল করেছিল এবং বলল যে, সব ক্রিকেটার যেভাবে দলবদল করেছে সেভাবে আমিও দলবদল করতে পারব। আমি চাইলে আজকেই দলবদল করতে পারব।
প্রশ্ন : দলবদল করতে পেরে কেমন লাগছে?
সাকিব : হ্যাঁ আমি বেশ খুশি। এজন্য বোর্ডকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাব। সঙ্গে এই সময়ে যারা সাহায্য করেছে তাদেরও। কারণ এটা মোটেও কোনো খেলোয়াড়ের জন্য সহজ সময় না। আমার আশপাশে যারা ছিল, সাংবাদিক থেকে শুরু করে আমার বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং যাদের আমি চিনি না, তাদের যে সাপোর্ট ছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। তাদের সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। সব থেকে বড় কথা এবং আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো লাল-সবুজ জার্সি পরে খেলার সুযোগটা আমি আবার পাচ্ছি। আমি ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম সব সময়। এবং সামনে আমি যতদিন খেলতে পারব বাংলাদেশ দলে কন্ট্রিবিউট করতে পারব এবং বাংলাদেশ দলের জন্য খেলার চেষ্টা করব।
প্রশ্ন : ক্রিকেট ছাড়া জীবনটা কেমন ছিল?
সাকিব : এখন আসলে পেছনের দিকে তাকাতে চাই না। সামনে কী করতে পারব, সেটা নিয়েই ভাবতে চাই।
প্রশ্ন : গাজী ট্যাংকে এবার খেলছেন, লক্ষ্যটা কী?
সাকিব : আসলে প্রথম টার্গেট থাকবে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব। এই দলে সবার সাধ্য আছে ভালো খেলার। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দল। কিন্তু আমাদের সেটা মাঠে করে দেখাতে হবে। আমাদের নামের প্রতি সুবিচার করে খেলতে হবে। আমাদের যে যোগ্যতা আছে তার মতো করে যদি পারফর্ম করতে পারি আমার বিশ্বাস যে আমাদের দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দল।
প্রশ্ন : দলবদলে আপনার উপস্থিতি অন্যান্যবারের চেয়ে বেশি? কিভাবে এনজয় করছেন?
সাকিব : প্রথমত গতকালের (নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার) পর থেকে অনেক রিল্যাক্স ছিলাম। যেহেতু বেশ বড় একটা ঝামেলা থেকে মুক্তি পেলাম। স্বাভাবিকভাবে এই সিচুয়েশন থেকে বের হয়ে আসাটা অনেক বড় একটা রিলিফ। স্বাভাবিকভাবেই আমি খুশি। আর আজকে দলবদল করতে পেরে তো আরো অনেক খুশি।
প্রশ্ন : ঘরোয়া ক্রিকেটে সাকিবকে সাকিবের মতো করে পাওয়া যায় না, এবারও কি সেরকম কিছু হবে?
সাকিব : আসলে প্রতিবারই চেষ্টা করি। আমার যতটুকু করা সম্ভব সেভাবেই চেষ্টা করব। তার পরও সবাই যেভাবে প্রত্যাশা করে সেভাবে খেলতে পারিনি। অবশ্যই চেষ্টা করব সব দিক থেকে। ব্যাটিং, বোলিং অথবা ফিল্ডিং হোক অথবা লিডারশিপ হোক সবকিছুতেই চেষ্টা করব অন্যান্য বারের চেয়ে ভালো করার।
প্রশ্ন : দলবদলের জন্য কি বোর্ডের কিংবা বড় কারো সঙ্গে কথা হয়েছে?
সাকিব : এটা সম্পূর্ণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত। যদি বোর্ড না-ই বলত, তাহলে তো আমি খেলতেই পারতাম না। তার পরও ওনারা যেভাবে ভালো মনে করেছে এবং আমার জন্য যেটা ভালো হবে, সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রশ্ন: বুধবারে এই প্রক্রিয়ায় দলবদল হবে না, এমন ঘোষণা এসেছিল। এমন সিদ্ধান্ত আসার পর আপনার কেমন লেগেছিল?
সাকিব : এটা তো কোনো অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত ছিল না। আমি এই বিষয়ে কোনো কমেন্ট করতে চাই না। আমার কাছে মনে হয় বোর্ড কখনো চায় না, একটা খেলোয়াড়ের খারাপ কিছু হোক। এটা নরম্যাল একটি সিদ্ধান্তই ছিল। নিষেধাজ্ঞার কারণে আমি যেহেতু পুলের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না, সে কারণে হয়তো একটু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমার মনে হয় এগুলো আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রশ্ন : বাদল ভাইয়ের দলে খেলার কারণটা কী?
সাকিব : স্বাভাবিকভাবে সব খেলোয়াড়েরই একটা কমফোর্ট জোন থাকে। শুধু ক্রিকেট নয়, অন্য যেকোনো খেলায়। ইউরোপিয়ান লিগ যদি
দেখেন, ফুটবল যদি দেখেন। সব খেলোয়াড় চায় তার পছন্দমতো দলে খেলতে। তবে সব সময় হয়তো হয়ে ওঠে না। বেশিরভাগ খেলোয়াড়ই ইচ্ছে থাকে সব সময় পছন্দের দল, সবকিছু কমফোর্ট জোনে। মানুষের একটা পছন্দ থাকবেই, সব সময় যে তার পছন্দমতো দল পাবে তার কোনো গ্যারান্টি নাই। যখন পূরণ না হয় তবে অবশ্যই খারাপ লাগে।প্রশ্ন : দলবদলের নিশ্চয়তার খবরটি কখন শুনতে পান?
সাকিব : আমি স্টেডিয়ামে অন্য কিছু কাজের জন্য গিয়েছিলাম। যখন ফিরছিলাম তখন সিইও আমাকে কল করেছিল এবং বলল যে, সব ক্রিকেটার যেভাবে দলবদল করেছে সেভাবে আমিও দলবদল করতে পারব। আমি চাইলে আজকেই দলবদল করতে পারব।
প্রশ্ন : দলবদল করতে পেরে কেমন লাগছে?
সাকিব : হ্যাঁ আমি বেশ খুশি। এজন্য বোর্ডকে অবশ্যই ধন্যবাদ জানাব। সঙ্গে এই সময়ে যারা সাহায্য করেছে তাদেরও। কারণ এটা মোটেও কোনো খেলোয়াড়ের জন্য সহজ সময় না। আমার আশপাশে যারা ছিল, সাংবাদিক থেকে শুরু করে আমার বন্ধুবান্ধব, পরিবারের সদস্যবৃন্দ এবং যাদের আমি চিনি না, তাদের যে সাপোর্ট ছিল, তা ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। তাদের সবাইকে আমি ধন্যবাদ জানাই। সব থেকে বড় কথা এবং আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ হলো লাল-সবুজ জার্সি পরে খেলার সুযোগটা আমি আবার পাচ্ছি। আমি ছোটবেলা থেকে স্বপ্ন দেখতাম সব সময়। এবং সামনে আমি যতদিন খেলতে পারব বাংলাদেশ দলে কন্ট্রিবিউট করতে পারব এবং বাংলাদেশ দলের জন্য খেলার চেষ্টা করব।
প্রশ্ন : ক্রিকেট ছাড়া জীবনটা কেমন ছিল?
সাকিব : এখন আসলে পেছনের দিকে তাকাতে চাই না। সামনে কী করতে পারব, সেটা নিয়েই ভাবতে চাই।
প্রশ্ন : গাজী ট্যাংকে এবার খেলছেন, লক্ষ্যটা কী?
সাকিব : আসলে প্রথম টার্গেট থাকবে চ্যাম্পিয়ন হওয়া। আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব। এই দলে সবার সাধ্য আছে ভালো খেলার। চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দল। কিন্তু আমাদের সেটা মাঠে করে দেখাতে হবে। আমাদের নামের প্রতি সুবিচার করে খেলতে হবে। আমাদের যে যোগ্যতা আছে তার মতো করে যদি পারফর্ম করতে পারি আমার বিশ্বাস যে আমাদের দল চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মতো দল।
প্রশ্ন : দলবদলে আপনার উপস্থিতি অন্যান্যবারের চেয়ে বেশি? কিভাবে এনজয় করছেন?
সাকিব : প্রথমত গতকালের (নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার) পর থেকে অনেক রিল্যাক্স ছিলাম। যেহেতু বেশ বড় একটা ঝামেলা থেকে মুক্তি পেলাম। স্বাভাবিকভাবে এই সিচুয়েশন থেকে বের হয়ে আসাটা অনেক বড় একটা রিলিফ। স্বাভাবিকভাবেই আমি খুশি। আর আজকে দলবদল করতে পেরে তো আরো অনেক খুশি।
প্রশ্ন : ঘরোয়া ক্রিকেটে সাকিবকে সাকিবের মতো করে পাওয়া যায় না, এবারও কি সেরকম কিছু হবে?
সাকিব : আসলে প্রতিবারই চেষ্টা করি। আমার যতটুকু করা সম্ভব সেভাবেই চেষ্টা করব। তার পরও সবাই যেভাবে প্রত্যাশা করে সেভাবে খেলতে পারিনি। অবশ্যই চেষ্টা করব সব দিক থেকে। ব্যাটিং, বোলিং অথবা ফিল্ডিং হোক অথবা লিডারশিপ হোক সবকিছুতেই চেষ্টা করব অন্যান্য বারের চেয়ে ভালো করার।
প্রশ্ন : দলবদলের জন্য কি বোর্ডের কিংবা বড় কারো সঙ্গে কথা হয়েছে?
সাকিব : এটা সম্পূর্ণ বোর্ডের সিদ্ধান্ত। যদি বোর্ড না-ই বলত, তাহলে তো আমি খেলতেই পারতাম না। তার পরও ওনারা যেভাবে ভালো মনে করেছে এবং আমার জন্য যেটা ভালো হবে, সেভাবেই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
প্রশ্ন: বুধবারে এই প্রক্রিয়ায় দলবদল হবে না, এমন ঘোষণা এসেছিল। এমন সিদ্ধান্ত আসার পর আপনার কেমন লেগেছিল?
সাকিব : এটা তো কোনো অফিসিয়াল সিদ্ধান্ত ছিল না। আমি এই বিষয়ে কোনো কমেন্ট করতে চাই না। আমার কাছে মনে হয় বোর্ড কখনো চায় না, একটা খেলোয়াড়ের খারাপ কিছু হোক। এটা নরম্যাল একটি সিদ্ধান্তই ছিল। নিষেধাজ্ঞার কারণে আমি যেহেতু পুলের অন্তর্ভুক্ত ছিলাম না, সে কারণে হয়তো একটু জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে। আমার মনে হয় এগুলো আলোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত হয়েছে।
প্রশ্ন : বাদল ভাইয়ের দলে খেলার কারণটা কী?
সাকিব : স্বাভাবিকভাবে সব খেলোয়াড়েরই একটা কমফোর্ট জোন থাকে। শুধু ক্রিকেট নয়, অন্য যেকোনো খেলায়। ইউরোপিয়ান লিগ যদি
প্রশ্ন : বিদেশে খেলার ব্যাপারে এখনো নিষেধাজ্ঞা ওঠেনি। সে ক্ষেত্রে মাঠে আপনার আচরণগত বিষযগুলো বিসিবি পর্যবেক্ষণ করবে। বিষয়টিকে আপনি কীভাবে দেখছেন?
সাকিব : চেষ্টা করব- যেভাবে চললে সবার জন্য ভালো হয়, আমার নিজের জন্য ভালো হয় সেভাবে থাকার। বোর্ডে যে ডিসিপ্লিন আছে কিংবা যে ধরনের নিয়মকানুন আছে বা যে কোড অব কন্ডাক্ট আছে- তার ভেতর থেকে চলার চেষ্টা করব। মানুষমাত্রই ভুল; ভুল হতেই পারে। কিন্তু আমি আমার সাধ্যমতো চেষ্টা করব মানুষ হিসেবে আরো ভালো কিছু করার। সঙ্গে প্রতিদিন অনুশীলনে গেলে চেষ্টা করি যে ক্রিকেটার হিসেবে যতটুকু উন্নতি করতে পারি। বাংলাদেশের হয়ে কতটা কন্ট্রিবিউট করতে পারি।

Post a Comment