দেশে ‘খুনের রাজত্ব’ কায়েম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘অবৈধ সরকারের সৃষ্ট কুশাসনের করাল গ্রাস থেকে কেবল দেশের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীই নয়, দেশের সম্মানিত বিশিষ্টজনরাও রেহাই পাচ্ছেন না।’ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা আছে বলেই গুম, খুন ও অপহরণকারীরা ঘটনা ঘটিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন বিএনপি প্রধান। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক নিন্দা ও শোক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার সশস্ত্র দুস্কৃতকারীরা হাইকোর্ট মসজিদের খতিব ও চ্যানেল আই-তে ‘কাফেলা’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শাইখ কাজী নুরুল ইসলাম ফারুকীকে হত্যার প্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসন এ বিবৃতি দিলেন। বুধবার রাতে ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের নিজ বাসায় পৈশাচিকভাবে গলা কেটে ফারুকীকে হত্যা করা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসন এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও শোক জানিয়েছেন। একইসঙ্গে অবিলম্বে ফারুকীকে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের মানুষ আর নিরাপদ নয় দাবি করে প্রাক্তন এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং ক্ষমতাসীনদের হিংসাত্মক কার্যকলাপের কারণে অপহরণ আর লাশের মিছিল বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ভয়াবহ বাস্তবতায় দেশের আপামর জনসাধারণ সবসময় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘বিশিষ্ট আলেম নুরুল ইসলাম ফারুকীকে হত্যার মধ্য দিয়ে আরেকবার প্রমাণ হলো যে, এই দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। দেশবাসী এমন একটা নৈরাজ্যকর থমথমে পরিবেশে বসবাস করছে, যেখানে পরিবার-পরিজন নিয়ে একজন দিনি আলেমকেও দুস্কৃতকারীদের হাতে জীবন হারাতে হয়।’ ফারুকীকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের বিরাজমান খুনোখুনি ও রক্তারক্তির বীভৎস চিত্র ফুটে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সারা দেশে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়েই সরকার ‘ইচ্ছাকৃতভাবেই’ গডফাদার ও দুস্কৃতিকারীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এর কারণ অরাজক ও ভীতিকর পরিস্থিতি বিদ্যমান রেখে অবৈধভাবে দখল করা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা। কারণ অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে নৈরাজ্য ও দুঃশাসনের বিকল্প নেই।’তিনি বলেন, ‘এই অবৈধ ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে জনগণ নেই। তাই অনাচার ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে সমাজবিরোধী সন্ত্রাসীরাই এখন তাদের সবচেয়ে বেশি ভরসার স্থল। আর এজন্য আশকারা পেয়ে সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হওয়ার সাহস পাচ্ছে।’এইভাবে ‘হত্যালীলা’ চালিয়ে দেশব্যাপী রক্তপাত ঘটানোর জন্য সরকারকে একদিন চরম ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপি প্রধান। বিএনপি চেয়ারপারসন নিহত কাজী নুরুল ইসলাম ফারুকীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন। অপর এক বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই হত্যাকাণ্ডকে চরম নির্মমতা আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘গোটা দেশটা এখন নরকের জনপদ। অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকা হুমকির মুখে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান স্বৈরশাসকদের শাসনামল বিশ্বের ইতিহাসে সাদা পোশাক পরা কালো শাসনের অধ্যায় বলে পরিচিত হবে। এই মুহূর্তে আওয়ামী নির্যাতন নিপীড়ণ ও দুঃশাসনের কবল থেকে দেশকে উদ্ধার করতে না পারলে দেশের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যাবে।’ ফারুকীকে হত্যাকারী দুস্কৃতকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান মির্জা ফখরুল।দেশে ‘খুনের রাজত্ব’ কায়েম হয়েছে : খালেদা
দেশে ‘খুনের রাজত্ব’ কায়েম হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। তিনি বলেন, ‘অবৈধ সরকারের সৃষ্ট কুশাসনের করাল গ্রাস থেকে কেবল দেশের রাজনৈতিক নেতা-কর্মীই নয়, দেশের সম্মানিত বিশিষ্টজনরাও রেহাই পাচ্ছেন না।’ সরকারের পৃষ্ঠপোষকতা আছে বলেই গুম, খুন ও অপহরণকারীরা ঘটনা ঘটিয়ে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেন বিএনপি প্রধান। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক নিন্দা ও শোক বিবৃতিতে তিনি এসব কথা বলেন। বুধবার সশস্ত্র দুস্কৃতকারীরা হাইকোর্ট মসজিদের খতিব ও চ্যানেল আই-তে ‘কাফেলা’ অনুষ্ঠানের উপস্থাপক শাইখ কাজী নুরুল ইসলাম ফারুকীকে হত্যার প্রেক্ষিতে বিএনপি চেয়ারপারসন এ বিবৃতি দিলেন। বুধবার রাতে ঢাকার পূর্ব রাজাবাজারের নিজ বাসায় পৈশাচিকভাবে গলা কেটে ফারুকীকে হত্যা করা হয়। বিএনপি চেয়ারপারসন এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর তীব্র নিন্দা, প্রতিবাদ ও শোক জানিয়েছেন। একইসঙ্গে অবিলম্বে ফারুকীকে হত্যাকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান। বর্তমান সরকারের আমলে দেশের মানুষ আর নিরাপদ নয় দাবি করে প্রাক্তন এ প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতি এবং ক্ষমতাসীনদের হিংসাত্মক কার্যকলাপের কারণে অপহরণ আর লাশের মিছিল বৃদ্ধি পেয়েছে। এই ভয়াবহ বাস্তবতায় দেশের আপামর জনসাধারণ সবসময় আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে দিন কাটাচ্ছে।’তিনি বলেন, ‘বিশিষ্ট আলেম নুরুল ইসলাম ফারুকীকে হত্যার মধ্য দিয়ে আরেকবার প্রমাণ হলো যে, এই দেশে খুনের রাজত্ব কায়েম হয়েছে। দেশবাসী এমন একটা নৈরাজ্যকর থমথমে পরিবেশে বসবাস করছে, যেখানে পরিবার-পরিজন নিয়ে একজন দিনি আলেমকেও দুস্কৃতকারীদের হাতে জীবন হারাতে হয়।’ ফারুকীকে নির্মমভাবে হত্যার মধ্য দিয়ে দেশের বিরাজমান খুনোখুনি ও রক্তারক্তির বীভৎস চিত্র ফুটে উঠেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। সারা দেশে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক সৃষ্টির লক্ষ্য নিয়েই সরকার ‘ইচ্ছাকৃতভাবেই’ গডফাদার ও দুস্কৃতিকারীদের প্রশ্রয় দিচ্ছে অভিযোগ করে খালেদা জিয়া বলেন, ‘এর কারণ অরাজক ও ভীতিকর পরিস্থিতি বিদ্যমান রেখে অবৈধভাবে দখল করা ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা। কারণ অবৈধ ক্ষমতা ধরে রাখতে নৈরাজ্য ও দুঃশাসনের বিকল্প নেই।’তিনি বলেন, ‘এই অবৈধ ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে জনগণ নেই। তাই অনাচার ও অবৈধ কর্মকাণ্ডে সমাজবিরোধী সন্ত্রাসীরাই এখন তাদের সবচেয়ে বেশি ভরসার স্থল। আর এজন্য আশকারা পেয়ে সন্ত্রাসীরা বেপরোয়া হওয়ার সাহস পাচ্ছে।’এইভাবে ‘হত্যালীলা’ চালিয়ে দেশব্যাপী রক্তপাত ঘটানোর জন্য সরকারকে একদিন চরম ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন বিএনপি প্রধান। বিএনপি চেয়ারপারসন নিহত কাজী নুরুল ইসলাম ফারুকীর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকাহত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সহমর্মিতা জ্ঞাপন করেন। অপর এক বিবৃতিতে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এই হত্যাকাণ্ডকে চরম নির্মমতা আখ্যা দিয়ে বলেন, ‘গোটা দেশটা এখন নরকের জনপদ। অবনতিশীল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির কারণে দেশের মানুষের নিরাপত্তা ও বেঁচে থাকা হুমকির মুখে।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান স্বৈরশাসকদের শাসনামল বিশ্বের ইতিহাসে সাদা পোশাক পরা কালো শাসনের অধ্যায় বলে পরিচিত হবে। এই মুহূর্তে আওয়ামী নির্যাতন নিপীড়ণ ও দুঃশাসনের কবল থেকে দেশকে উদ্ধার করতে না পারলে দেশের অস্তিত্বই বিলীন হয়ে যাবে।’ ফারুকীকে হত্যাকারী দুস্কৃতকারীদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির জোর দাবি জানান মির্জা ফখরুল।
Post a Comment